ভাতের ফ্যান এর উপকারিতা

চুল থেকে ত্বক, গাছের যত্ন-- সব কাজেই আসে ভাতের ফ্যান। বাঙালি বাড়িতে রোজই ভাত রান্না হয়। কোনও কোনও বাড়িতে আবার দুপুরে আর রাতে দু'বেলাই ভাত খাওয়ার চল আছে। তবে ভাত রান্নার পর ভাতের ফ্যান বা মাড় ফেলে দেন রোজ রোজ? উপকার জানলে আর করবেন না এই কাজ। ত্বক থেকে চুলের যত্ন বা বাগানে গাছের দেখভাল, নানা কাজে আসে এই মাড়। চলুন দেখে নেওয়া যাক-- ত্বকে ফুসকুড়ি, র‍্যাশ, চুলকানির সমস্যা দেখা দিলে স্নানের জলের সাথে মিশিয়ে নিন। এবার তা দিয়ে স্নান করুন দিনে দু'বার। দেখবেন উপকার পাবেন। দ্রুত ডায়েরিয়া থেকে মুক্তি পেতে ফ্যানের মধ্যে এক চিমটে লবন দিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। ভাতের ফ্যান টোনার হিসেবে ভালো কাজ করে। এমনকী ব্রণ হলেও ঠান্ডা মাড় তুলোয় করে ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। হাতে-পায়ের ট্যান তুলতেও ভাতের মাড় ব্যবহার করতে পারেন। রোদে পোড়া অংশে ভাতের মাড় লাগিয়ে মিনিট ১৫ রেখে স্নান করে নিন। এক সপ্তাহের মধ্যে নিজেই দেখতে পারবেন কতটা বদল এসেছে আপনার ত্বকে। ভাতের ফ্যান ফেলে না দিয়ে তা গাছের গোড়ায় বা টবে দিন। গাছের জন্য উৎকৃষ্ট সারের কাজ করে ভাতের ফ্যান। ভাতের মাড়ের সঙ্গে জল মিশিয়ে তা পাতলা করে নিন। এবার শ্যাম্পু করার পর এটা কনডিশনার হিসেবে ব্যবহার করুন। চুলের গোড়া মজবুত হবে, চুল পড়া কমবে, চুল চকচকও করবে।

Comments

Popular posts from this blog

পল্টুর কথা